প্রবীণ ও বরেণ্য সাংবাদিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষক শাহেদ কামাল আর নেই। শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি বাংলাদেশের কিংবদন্তি কবি ও লেখিকা সুফিয়া কামালের যোগ্য সন্তান।
তার মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার ছোট বোন এবং বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল।
শাহেদ কামালের মৃত্যুর বিষয়ে তার ছোট বোন সুলতানা কামাল অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে গণমাধ্যমকে বলেন, “আমার বড় ভাই কিছুক্ষণ আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।” তাঁর এই প্রয়াণে দেশের সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শাহেদ কামালের কর্মজীবন ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও অনুপ্রেরণাদায়ক। ১৯৫৭ সাল থেকে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বিএসএস) অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। তাঁর হাত ধরে তৈরি হয়েছে দেশের বহু প্রথম সারির সাংবাদিক ও গবেষক।
Choiti Saha 









