Dhaka 3:30 pm, Wednesday, 4 November 2026
News Title :
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন বিএনপি ও জামায়াত একদল, দাবি জি এম কাদেরের আ. লীগের বিচার শুরু, সীমান্তে ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের স্বার্থে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে: মাহদী আমিন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয় চান ট্রাম্পের প্রতিনিধি ইতিহাসের সবচেয়ে দামী সেমিফাইনাল আজ সেমিফাইনালে উঠেছে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল। সম্ভাব্য চার দ্বৈরথ ঘিরে ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা

উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাত্র ২০ শতাংশ, উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ববি হাজ্জাজ

দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ২০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি মনে করেন, বিজ্ঞানভীতি দূর করে শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে না পারলে ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা কঠিন হবে।

সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক আয়োজিত ‘সাসটেইনিং প্লে, লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সটস (SPLASH)’ উদ্যোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই

ববি হাজ্জাজ বলেন, একটি জাতিকে জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁর ভাষায়, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া অন্য শিক্ষাব্যবস্থাগুলো প্রত্যাশিত মান অর্জন করতে পারে না। যদিও এমন মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দিতে পারে, তবুও দেশের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলে জানান।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার হার বৃদ্ধি নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।

প্রাথমিক শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পরও প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী মাতৃভাষায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। গণিত ও ইংরেজির ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক।

তিনি স্বীকার করেন, শিশুদের মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি। এ অবস্থা পরিবর্তনে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলক করার পক্ষে মত

ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, তাঁর বিশ্বাস উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা থাকা উচিত। তবে এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

অঙ্ক ও বিজ্ঞানভীতি দূর করার আহ্বান

দেশে দীর্ঘদিন ধরে গণিত ও বিজ্ঞানকে কঠিন বিষয় হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মানসিকতা পরিবর্তন করা জরুরি।

তিনি আরও জানান, বিজ্ঞান বিভাগে মেয়েদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তাই নারী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সব শিক্ষাব্যবস্থার জন্য থাকবে ন্যূনতম মানদণ্ড

বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম এবং মাদ্রাসাসহ দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মান নির্ধারণের পরিকল্পনার কথাও জানান ববি হাজ্জাজ। শিক্ষক, পাঠ্যক্রম এবং অবকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই এই মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে ল্যাবের পরিকল্পনা

বিজ্ঞান শিক্ষাকে শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় করতে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের ‘প্লে ল্যাব’ উদ্যোগের প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রাথমিক ধারণা দিতে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহজ ও কম ব্যয়বহুল ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ে সফলভাবে বাস্তবায়নের পর এটি বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসাতেও সম্প্রসারণ করা হতে পারে।

এ লক্ষ্যে শিগগিরই কয়েকটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করা হবে।

জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেবা বাড়ানোর উদ্যোগ

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি জানান, সারা দেশে কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা পর্যায়ে ধাপে ধাপে ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। এ পরিকল্পনার আওতায় বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ডায়ালাইসিস বেড যুক্ত করা হবে।

মানবিক সংকটে থাকা শিশুদের জন্য ৫ কোটি ডলারের উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, মানবিক সংকটপূর্ণ এলাকায় স্বল্প ব্যয়ে টেকসই শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন কার্যক্রম পরিচালনায় ব্র্যাক ইতোমধ্যে সফলতা পেয়েছে।

ব্র্যাক জানায়, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৪৭ কোটি ৩০ লাখ শিশু সংঘাত ও মানবিক সংকটপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে এবং ৫ কোটি ২০ লাখের বেশি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে।

এই বাস্তবতায় ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও উগান্ডার প্রায় চার লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরীর শিক্ষা, সুরক্ষা এবং মানসিক বিকাশে সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও কাজ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে লেগো ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক কর্মসূচির প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলামি বক্তব্য দেন। এছাড়া এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাত্র ২০ শতাংশ, উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ববি হাজ্জাজ

Update Time : 07:54:20 pm, Monday, 13 July 2026

দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ২০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি মনে করেন, বিজ্ঞানভীতি দূর করে শিক্ষার্থীদের এই বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে না পারলে ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা কঠিন হবে।

সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক আয়োজিত ‘সাসটেইনিং প্লে, লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সটস (SPLASH)’ উদ্যোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই

ববি হাজ্জাজ বলেন, একটি জাতিকে জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁর ভাষায়, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া অন্য শিক্ষাব্যবস্থাগুলো প্রত্যাশিত মান অর্জন করতে পারে না। যদিও এমন মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দিতে পারে, তবুও দেশের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলে জানান।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার হার বৃদ্ধি নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।

প্রাথমিক শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পরও প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী মাতৃভাষায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। গণিত ও ইংরেজির ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক।

তিনি স্বীকার করেন, শিশুদের মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি। এ অবস্থা পরিবর্তনে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিজ্ঞান বাধ্যতামূলক করার পক্ষে মত

ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, তাঁর বিশ্বাস উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা থাকা উচিত। তবে এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

অঙ্ক ও বিজ্ঞানভীতি দূর করার আহ্বান

দেশে দীর্ঘদিন ধরে গণিত ও বিজ্ঞানকে কঠিন বিষয় হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মানসিকতা পরিবর্তন করা জরুরি।

তিনি আরও জানান, বিজ্ঞান বিভাগে মেয়েদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তাই নারী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সব শিক্ষাব্যবস্থার জন্য থাকবে ন্যূনতম মানদণ্ড

বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম এবং মাদ্রাসাসহ দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মান নির্ধারণের পরিকল্পনার কথাও জানান ববি হাজ্জাজ। শিক্ষক, পাঠ্যক্রম এবং অবকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই এই মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে ল্যাবের পরিকল্পনা

বিজ্ঞান শিক্ষাকে শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় করতে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের ‘প্লে ল্যাব’ উদ্যোগের প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রাথমিক ধারণা দিতে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহজ ও কম ব্যয়বহুল ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ে সফলভাবে বাস্তবায়নের পর এটি বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসাতেও সম্প্রসারণ করা হতে পারে।

এ লক্ষ্যে শিগগিরই কয়েকটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করা হবে।

জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেবা বাড়ানোর উদ্যোগ

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি জানান, সারা দেশে কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা পর্যায়ে ধাপে ধাপে ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। এ পরিকল্পনার আওতায় বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ডায়ালাইসিস বেড যুক্ত করা হবে।

মানবিক সংকটে থাকা শিশুদের জন্য ৫ কোটি ডলারের উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, মানবিক সংকটপূর্ণ এলাকায় স্বল্প ব্যয়ে টেকসই শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন কার্যক্রম পরিচালনায় ব্র্যাক ইতোমধ্যে সফলতা পেয়েছে।

ব্র্যাক জানায়, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৪৭ কোটি ৩০ লাখ শিশু সংঘাত ও মানবিক সংকটপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে এবং ৫ কোটি ২০ লাখের বেশি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে।

এই বাস্তবতায় ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও উগান্ডার প্রায় চার লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরীর শিক্ষা, সুরক্ষা এবং মানসিক বিকাশে সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও কাজ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে লেগো ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক কর্মসূচির প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলামি বক্তব্য দেন। এছাড়া এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।